বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, ২০২৬ সালের ২৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম নগরবাসীর জীবনে আরেকটি দুঃসহ স্মৃতি হিসেবে যুক্ত হয়েছে। ২০২৪ ও ২০২৫ সালের মতো চলতি বছরেও জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে মুক্তি পায়নি নগরবাসী।
তিনি বলেন, মহানগরীর হিজড়া খাল ও জামালখান খালে বাঁধ দেওয়ায় সংলগ্ন এলাকাগুলোতে ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি। ১৫ মে কাজ শেষ করার লক্ষ্যে খাল দুটিতে বাঁধ দেওয়া হলেও পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে।
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন ২৮ এপ্রিল দুপুর থেকে বৃষ্টি বাড়ার সাথে সাথে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পানি জমতে শুরু করে। প্রবর্তক মোড়, চকবাজার, কাতালগঞ্জ,মুরাদপুর, বহদ্দারহাট,আগ্রাবাদসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় জলাবদ্ধতা ছড়িয়ে পড়ে। আবহাওয়ার তথ্য অনুযায়ী মার্চ থেকে মে পর্যন্ত প্রাক-মৌসুমে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে। এপ্রিল মাসেই গড় বৃষ্টিপাত প্রায় ১৪১ মিলিমিটার এবং মে মাসে তা আরও বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৩০৭ মিলিমিটারে পৌঁছায়। এমন বাস্তবতায় খালে বাঁধ দেওয়ার মতো প্রকল্প গ্রহণের আগে আবহাওয়ার তথ্য যথাযথভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
তিনি বলেন, ২৮ এপ্রিলের বৃষ্টিপাতে পতেঙ্গা ও আমবাগান আবহাওয়া অফিসে স্বল্প সময়ে অস্বাভাবিক পরিমাণ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা নগরীর জলাবদ্ধতাকে আরও তীব্র করে তোলে।
নগর আমীর ২০২৭ সালের মধ্যে ‘শূন্য জলাবদ্ধতা লক্ষ্য বাস্তবায়ন কতটা সম্ভব হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। বিবৃতিতে তিনি অভিযোগ করেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনো কার্যকর আপদকালীন পরিকল্পনা (Contingency Plan) গ্রহণ করা হয়নি। সম্ভাব্য ঝুঁকি শনাক্তকরণ, বিশ্লেষণ ও মোকাবিলার জন্য পূর্বপ্রস্তুতি প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও তা উপেক্ষা করা হয়েছে।
তিনি প্রশ্ন রাখেন, কৃত্রিম পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা (Artificial Drainage System) কেন রাখা হয়নি এবং ঝুঁকির পূর্বাভাস পাওয়ার পরও কেন সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আবহওয়ার তথ্য উপাত্ত বিবেচনায় নিয়ে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখা জরুরি ছিলো। প্রয়োজনে বাঁধ অপসারণের সিদ্ধান্ত আগেই নেওয়া যেত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জনদুর্ভোগ এড়াতে বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং কার্যকর বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পরামর্শ দেন।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, ২০২৬ সালের ২৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম নগরবাসীর জীবনে আরেকটি দুঃসহ স্মৃতি হিসেবে যুক্ত হয়েছে। ২০২৪ ও ২০২৫ সালের মতো চলতি বছরেও জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে মুক্তি পায়নি নগরবাসী।
তিনি বলেন, মহানগরীর হিজড়া খাল ও জামালখান খালে বাঁধ দেওয়ায় সংলগ্ন এলাকাগুলোতে ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি। ১৫ মে কাজ শেষ করার লক্ষ্যে খাল দুটিতে বাঁধ দেওয়া হলেও পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে।
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন ২৮ এপ্রিল দুপুর থেকে বৃষ্টি বাড়ার সাথে সাথে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পানি জমতে শুরু করে। প্রবর্তক মোড়, চকবাজার, কাতালগঞ্জ,মুরাদপুর, বহদ্দারহাট,আগ্রাবাদসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় জলাবদ্ধতা ছড়িয়ে পড়ে। আবহাওয়ার তথ্য অনুযায়ী মার্চ থেকে মে পর্যন্ত প্রাক-মৌসুমে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে। এপ্রিল মাসেই গড় বৃষ্টিপাত প্রায় ১৪১ মিলিমিটার এবং মে মাসে তা আরও বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৩০৭ মিলিমিটারে পৌঁছায়। এমন বাস্তবতায় খালে বাঁধ দেওয়ার মতো প্রকল্প গ্রহণের আগে আবহাওয়ার তথ্য যথাযথভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
তিনি বলেন, ২৮ এপ্রিলের বৃষ্টিপাতে পতেঙ্গা ও আমবাগান আবহাওয়া অফিসে স্বল্প সময়ে অস্বাভাবিক পরিমাণ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা নগরীর জলাবদ্ধতাকে আরও তীব্র করে তোলে।
নগর আমীর ২০২৭ সালের মধ্যে ‘শূন্য জলাবদ্ধতা লক্ষ্য বাস্তবায়ন কতটা সম্ভব হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। বিবৃতিতে তিনি অভিযোগ করেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনো কার্যকর আপদকালীন পরিকল্পনা (Contingency Plan) গ্রহণ করা হয়নি। সম্ভাব্য ঝুঁকি শনাক্তকরণ, বিশ্লেষণ ও মোকাবিলার জন্য পূর্বপ্রস্তুতি প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও তা উপেক্ষা করা হয়েছে।
তিনি প্রশ্ন রাখেন, কৃত্রিম পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা (Artificial Drainage System) কেন রাখা হয়নি এবং ঝুঁকির পূর্বাভাস পাওয়ার পরও কেন সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আবহওয়ার তথ্য উপাত্ত বিবেচনায় নিয়ে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখা জরুরি ছিলো। প্রয়োজনে বাঁধ অপসারণের সিদ্ধান্ত আগেই নেওয়া যেত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জনদুর্ভোগ এড়াতে বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং কার্যকর বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পরামর্শ দেন।

আপনার মতামত লিখুন