ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

জাতীয়

৩০ এপ্রিলের পর সারা দেশে মাদক বিরোধী অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৩০ এপ্রিলের পর সারা দেশে মাদক বিরোধী অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জুয়া, অনলাইন জুয়া এবং মাদকের বিরুদ্ধে আগামী ৩০ এপ্রিলের পরে সারা দেশে সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি আরো জানান, সেই সঙ্গে অবৈধ সিসা বার ও লাউঞ্জ বন্ধে পুলিশের গোয়েন্দা ও অপরাধ বিভাগ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে ও অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।

তিনি আজ সংসদে সরকারি দলের সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুকের ৭১ বিধিতে দেওয়া জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে এসব কথা জানান। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

রাজধানীর অভিজাত এলাকায় আবাসিক ভবন, রেস্টুরেন্ট ও ক্যাফের আড়ালে গড়ে ওঠা অবৈধ সিসা লাউঞ্জ বন্ধের বিষয়ে নোটিশটি আনা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, (সংশোধিত) অনুযায়ী সিসা খ শ্রেণির মাদকদ্রব্য হিসেবে তফসিলভুক্ত। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার মাদককে জাতীয় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে নির্বাচনী ইশতেহারে স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। অবৈধ সিসা লাউঞ্জে সিসা ব্যবসা চালু রাখার লক্ষ্যে রাষ্ট্রপক্ষের বিরুদ্ধে সিসা লাউঞ্জ মালিকরা পাঁচটি রিট মামলা করেছে। এসব রিট মামলায় হাইকোর্ট বিভাগের রুল ও নির্দেশনার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগ অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ ভ্যাকেট করে দিয়েছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২০১৬ সালের ৮ এপ্রিল একটি স্মারকে অনুমোদন বিহীন সিসা লাউঞ্জ নামক মাদক স্পট বন্ধের নির্দেশনা বাস্তবায়নে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সমন্বিতভাবে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কর্তৃক বিগত ১৬ এপ্রিল রাতে রাজধানীর গুলশান দুই এলাকায় এলাকার ৩৫ নম্বর সড়কে অবস্থিত অবৈধ সিসাবারে অভিযান পরিচালনা করে আনুমানিক পাঁচ কেজি সিসা এবং ৩৫টি হোক্কা জব্দ করেছে। এস লাউঞ্জ রেস্টুরেন্ট নামেও অবৈধ সিসা লাউঞ্জে অভিযান পরিচালনা করে চার কেজি সিসা ও আটটি হুক্কা জব্দ করেছে। অবৈধ সিসা লাউঞ্জসমূহ যাতে নাম ও ঠিকানা পরিবর্তন করে পুনরায় কার্যক্রম শুরু করতে না পারে সে লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারী জোরদার করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে। এর সাথে যে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন, হাইকোর্ট বিভাগে সিসা বার পরিচালনার বিষয়ে রিটকারীদের বিপক্ষে সর্বদা আইন পরিচালনা করার পাশাপাশি সিসাবারসমূহে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রেখেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আবাসিক ভবন, রেস্টুরেন্ট ও ক্যাফের আড়ালে অবৈধ সিসা লাউন্স পরিচালনার বিষয়টি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নজরেও এসেছে। এ ধরনের কার্যক্রম জনস্বাস্থ্য, নগর শৃঙ্খলা ও আইন শৃঙ্খলার জন্য ক্ষতিকর এবং কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত ও তদারকি কার্যক্রমের মাধ্যমে অবৈধ সিসা লাউঞ্জ চিহ্নিতকরণ ও বন্ধে অভিযান পরিচালনা করছে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থা সমূহের সাথে সমন্বয় করে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এছাড়া কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক সহযোগিতার মাধ্যমে অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সাথে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঢাকা সিটি কর্পোরেশন থেকে সিটি কর্পোরেশন আদর্শ কর তফসিল ২০২৬ অনুযায়ী নির্ধারিত ব্যবসার ধরনের ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু অথবা নবায়ন করা হয়। অবৈধ সিসা লাউঞ্জ সম্পূর্ণরূপে বন্ধে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ বিষয়ে অভিযান অব্যাহত রাখবে বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে ২০০৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত রাজধানী ঢাকার গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, উত্তরা ও বাড়িধারার মত অভিজাত এলাকায় আবাসিক ভবন, রেস্টুরেন্ট এবং ক্যাফের আড়ালে ব্যাপকভাবে অবৈধ সিসাবার ও লাউঞ্জ গড়ে ওঠে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তি, অসাধু ব্যবসায়ী এবং প্রশাসনের কতিপয় কর্মকর্তার ছত্রছায়ায় নিয়মিত এসব স্থানে মাদক সেবন, কেনাবেচাসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতো। বিভিন্ন সময় অভিযান চালানোর পর কিছু ব্যবসা বন্ধ হলেও নাম পরিবর্তন করে এবং প্রভাব খাটিয়ে আবার তা চালু করে। নিয়মিত পুলিশ টহলের পাশাপাশি বিভিন্ন সিসা লাউঞ্জ ও রেস্টুরেন্টে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, ঠিকানা পরিবর্তন করে অথবা কোন আবাসিক বাসস্থানের আড়ালে কোন প্রকার অবৈধ সিসা লাউঞ্জ যাতে পরিচালিত না হয় সেই লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত আছে। আবাসিক বাণিজ্যিক ভবনে অবৈধ সিসা লাউঞ্জ স্থাপন করে যাতে কেউ ব্যবসা করতে না পারে সে বিষয়ে বিট পুলিশিং এর মাধ্যমে ভবন মালিকদেরকে সচেতন করা হচ্ছে। কোন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে এই ব্যবসায় মদদ দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া মাত্রই তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


৩০ এপ্রিলের পর সারা দেশে মাদক বিরোধী অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

জুয়া, অনলাইন জুয়া এবং মাদকের বিরুদ্ধে আগামী ৩০ এপ্রিলের পরে সারা দেশে সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি আরো জানান, সেই সঙ্গে অবৈধ সিসা বার ও লাউঞ্জ বন্ধে পুলিশের গোয়েন্দা ও অপরাধ বিভাগ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে ও অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।

তিনি আজ সংসদে সরকারি দলের সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুকের ৭১ বিধিতে দেওয়া জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে এসব কথা জানান। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

রাজধানীর অভিজাত এলাকায় আবাসিক ভবন, রেস্টুরেন্ট ও ক্যাফের আড়ালে গড়ে ওঠা অবৈধ সিসা লাউঞ্জ বন্ধের বিষয়ে নোটিশটি আনা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, (সংশোধিত) অনুযায়ী সিসা খ শ্রেণির মাদকদ্রব্য হিসেবে তফসিলভুক্ত। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার মাদককে জাতীয় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে নির্বাচনী ইশতেহারে স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। অবৈধ সিসা লাউঞ্জে সিসা ব্যবসা চালু রাখার লক্ষ্যে রাষ্ট্রপক্ষের বিরুদ্ধে সিসা লাউঞ্জ মালিকরা পাঁচটি রিট মামলা করেছে। এসব রিট মামলায় হাইকোর্ট বিভাগের রুল ও নির্দেশনার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগ অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ ভ্যাকেট করে দিয়েছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২০১৬ সালের ৮ এপ্রিল একটি স্মারকে অনুমোদন বিহীন সিসা লাউঞ্জ নামক মাদক স্পট বন্ধের নির্দেশনা বাস্তবায়নে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সমন্বিতভাবে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কর্তৃক বিগত ১৬ এপ্রিল রাতে রাজধানীর গুলশান দুই এলাকায় এলাকার ৩৫ নম্বর সড়কে অবস্থিত অবৈধ সিসাবারে অভিযান পরিচালনা করে আনুমানিক পাঁচ কেজি সিসা এবং ৩৫টি হোক্কা জব্দ করেছে। এস লাউঞ্জ রেস্টুরেন্ট নামেও অবৈধ সিসা লাউঞ্জে অভিযান পরিচালনা করে চার কেজি সিসা ও আটটি হুক্কা জব্দ করেছে। অবৈধ সিসা লাউঞ্জসমূহ যাতে নাম ও ঠিকানা পরিবর্তন করে পুনরায় কার্যক্রম শুরু করতে না পারে সে লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারী জোরদার করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে। এর সাথে যে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন, হাইকোর্ট বিভাগে সিসা বার পরিচালনার বিষয়ে রিটকারীদের বিপক্ষে সর্বদা আইন পরিচালনা করার পাশাপাশি সিসাবারসমূহে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রেখেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আবাসিক ভবন, রেস্টুরেন্ট ও ক্যাফের আড়ালে অবৈধ সিসা লাউন্স পরিচালনার বিষয়টি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নজরেও এসেছে। এ ধরনের কার্যক্রম জনস্বাস্থ্য, নগর শৃঙ্খলা ও আইন শৃঙ্খলার জন্য ক্ষতিকর এবং কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত ও তদারকি কার্যক্রমের মাধ্যমে অবৈধ সিসা লাউঞ্জ চিহ্নিতকরণ ও বন্ধে অভিযান পরিচালনা করছে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থা সমূহের সাথে সমন্বয় করে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এছাড়া কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক সহযোগিতার মাধ্যমে অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সাথে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঢাকা সিটি কর্পোরেশন থেকে সিটি কর্পোরেশন আদর্শ কর তফসিল ২০২৬ অনুযায়ী নির্ধারিত ব্যবসার ধরনের ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু অথবা নবায়ন করা হয়। অবৈধ সিসা লাউঞ্জ সম্পূর্ণরূপে বন্ধে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ বিষয়ে অভিযান অব্যাহত রাখবে বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে ২০০৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত রাজধানী ঢাকার গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, উত্তরা ও বাড়িধারার মত অভিজাত এলাকায় আবাসিক ভবন, রেস্টুরেন্ট এবং ক্যাফের আড়ালে ব্যাপকভাবে অবৈধ সিসাবার ও লাউঞ্জ গড়ে ওঠে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তি, অসাধু ব্যবসায়ী এবং প্রশাসনের কতিপয় কর্মকর্তার ছত্রছায়ায় নিয়মিত এসব স্থানে মাদক সেবন, কেনাবেচাসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতো। বিভিন্ন সময় অভিযান চালানোর পর কিছু ব্যবসা বন্ধ হলেও নাম পরিবর্তন করে এবং প্রভাব খাটিয়ে আবার তা চালু করে। নিয়মিত পুলিশ টহলের পাশাপাশি বিভিন্ন সিসা লাউঞ্জ ও রেস্টুরেন্টে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, ঠিকানা পরিবর্তন করে অথবা কোন আবাসিক বাসস্থানের আড়ালে কোন প্রকার অবৈধ সিসা লাউঞ্জ যাতে পরিচালিত না হয় সেই লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত আছে। আবাসিক বাণিজ্যিক ভবনে অবৈধ সিসা লাউঞ্জ স্থাপন করে যাতে কেউ ব্যবসা করতে না পারে সে বিষয়ে বিট পুলিশিং এর মাধ্যমে ভবন মালিকদেরকে সচেতন করা হচ্ছে। কোন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে এই ব্যবসায় মদদ দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া মাত্রই তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত