ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

জাতীয়

জামিনে মুক্তি পেলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর

জামিনে মুক্তি পেলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর

জামিনে মুক্তি পেয়েছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। শনিবার (১৪ মার্চ) বেলা আড়াইটার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২–এর জেল সুপার মো. আল মামুন জানান, শুক্রবার তার জামিনের কাগজ কারাগারে পৌঁছায়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে শনিবার বেলা ২টা ৩৫ মিনিটে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়। এ সময় তার স্ত্রীসহ স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডির একটি ব্যায়ামাগার থেকে আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাবাসাবাদের জন্য ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়। পরে তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার দেখানো হয়। ১৫ ডিসেম্বর তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে তোলা হয়। ওইদিন আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন করা হয়।

আদালত জামিন নামঞ্জুর করে পাঁচদিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন। রিমান্ড শেষে ২০ ডিসেম্বর কারাগারে পাঠানো হয় তাকে। এরপর থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন।

এর মাঝে গত ১৫ জানুয়ারি আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে ৩ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৮ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। ২৫ জানুয়ারি এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ৫ মার্চ আনিস আলমগীরকে জামিন দেন উচ্চ আদালত। এরপর ১১ মার্চ দুদকের মামলায় তার জামিন হয়।

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


জামিনে মুক্তি পেলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর

প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬

featured Image

জামিনে মুক্তি পেয়েছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। শনিবার (১৪ মার্চ) বেলা আড়াইটার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২–এর জেল সুপার মো. আল মামুন জানান, শুক্রবার তার জামিনের কাগজ কারাগারে পৌঁছায়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে শনিবার বেলা ২টা ৩৫ মিনিটে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়। এ সময় তার স্ত্রীসহ স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডির একটি ব্যায়ামাগার থেকে আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাবাসাবাদের জন্য ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়। পরে তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার দেখানো হয়। ১৫ ডিসেম্বর তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে তোলা হয়। ওইদিন আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন করা হয়।

আদালত জামিন নামঞ্জুর করে পাঁচদিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন। রিমান্ড শেষে ২০ ডিসেম্বর কারাগারে পাঠানো হয় তাকে। এরপর থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন।

এর মাঝে গত ১৫ জানুয়ারি আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে ৩ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৮ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। ২৫ জানুয়ারি এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ৫ মার্চ আনিস আলমগীরকে জামিন দেন উচ্চ আদালত। এরপর ১১ মার্চ দুদকের মামলায় তার জামিন হয়।


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত