ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

জাতীয়

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য ষড়যন্ত্র এখন জনগণের কাছে স্পষ্ট: প্রধানমন্ত্রী

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য ষড়যন্ত্র এখন জনগণের কাছে স্পষ্ট: প্রধানমন্ত্রী

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য ষড়যন্ত্র এখন জনগণের কাছে স্পষ্ট: প্রধানমন্ত্রী

‎ অনলাইন ডেস্ক


‎জাতীয় শহীদ সেনা দিবস' উপলক্ষে এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পিলখানা হত্যাকাণ্ডের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে এবং দীর্ঘ সময় পর জনগণ এখন এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উপলব্ধি করতে পারছে।

‎প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে স্মরণ করিয়ে দেন, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে ৫৭ জন মেধাবী সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শাহাদাতবরণ করেন। তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, ২০০৯ সালের পর থেকে দীর্ঘ সময় এই দিনটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তবে নতুন বাংলাদেশে এটি এখন ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

‎পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান থাকায় বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য না করলেও, এর নেপথ্য কারণ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ঘটনার পর বিভিন্ন সময় মিথ্যা ও অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল, যা এখন দেশপ্রেমিক নাগরিকদের কাছে পরিষ্কার

‎সশস্ত্র বাহিনীকে একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব ও গৌরবের প্রতীক হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতের বাংলাদেশ হবে ষড়যন্ত্রমুক্ত। তিনি দেশবাসীকে আহ্বান জানান যাতে আর কেউ সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে কোনো অপতৎপরতায় লিপ্ত হতে না পারে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীর মনোবল অটুট রাখার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন

‎প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই বাণী শহীদ সেনা দিবসের তাৎপর্যকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করেছে। তিনি দেশ ও জনগণের স্বার্থের পরিপন্থী যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে এই দিবসটি পালন শহীদদের ত্যাগকে যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়ার একটি প্রয়াস হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য ষড়যন্ত্র এখন জনগণের কাছে স্পষ্ট: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য ষড়যন্ত্র এখন জনগণের কাছে স্পষ্ট: প্রধানমন্ত্রী

‎ অনলাইন ডেস্ক


‎জাতীয় শহীদ সেনা দিবস' উপলক্ষে এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পিলখানা হত্যাকাণ্ডের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে এবং দীর্ঘ সময় পর জনগণ এখন এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উপলব্ধি করতে পারছে।

‎প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে স্মরণ করিয়ে দেন, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে ৫৭ জন মেধাবী সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শাহাদাতবরণ করেন। তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, ২০০৯ সালের পর থেকে দীর্ঘ সময় এই দিনটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তবে নতুন বাংলাদেশে এটি এখন ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

‎পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান থাকায় বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য না করলেও, এর নেপথ্য কারণ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ঘটনার পর বিভিন্ন সময় মিথ্যা ও অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল, যা এখন দেশপ্রেমিক নাগরিকদের কাছে পরিষ্কার

‎সশস্ত্র বাহিনীকে একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব ও গৌরবের প্রতীক হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতের বাংলাদেশ হবে ষড়যন্ত্রমুক্ত। তিনি দেশবাসীকে আহ্বান জানান যাতে আর কেউ সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে কোনো অপতৎপরতায় লিপ্ত হতে না পারে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীর মনোবল অটুট রাখার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন

‎প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই বাণী শহীদ সেনা দিবসের তাৎপর্যকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করেছে। তিনি দেশ ও জনগণের স্বার্থের পরিপন্থী যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে এই দিবসটি পালন শহীদদের ত্যাগকে যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়ার একটি প্রয়াস হিসেবে দেখা হচ্ছে।


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত