তাঁতশিল্পের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত সিরাজগঞ্জ জেলায় উৎপাদিত গামছা, লুঙ্গি এবং শাড়ি এখন আর কেবল দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে সীমাবদ্ধ নেই। এসব ঐতিহ্যবাহী বস্ত্রের চাহিদা এখন দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ছড়িয়ে পড়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, তাঁতসমৃদ্ধ এই অঞ্চলে হাতচালিত তাঁত বা হ্যান্ডলুম এবং যান্ত্রিক তাঁত বা পাওয়ার লুম—উভয় মাধ্যমেই এসব পোশাক তৈরি করা হয়। বর্তমানে এই দুই ধরনের তাঁত মিলে জেলায় মোট আড়াই লাখের বেশি তাঁত সচল রয়েছে, যেখানকার উৎপাদিত পণ্য বৈদেশিক বাজারেও সমাদৃত হচ্ছে।

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
তাঁতশিল্পের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত সিরাজগঞ্জ জেলায় উৎপাদিত গামছা, লুঙ্গি এবং শাড়ি এখন আর কেবল দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে সীমাবদ্ধ নেই। এসব ঐতিহ্যবাহী বস্ত্রের চাহিদা এখন দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ছড়িয়ে পড়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, তাঁতসমৃদ্ধ এই অঞ্চলে হাতচালিত তাঁত বা হ্যান্ডলুম এবং যান্ত্রিক তাঁত বা পাওয়ার লুম—উভয় মাধ্যমেই এসব পোশাক তৈরি করা হয়। বর্তমানে এই দুই ধরনের তাঁত মিলে জেলায় মোট আড়াই লাখের বেশি তাঁত সচল রয়েছে, যেখানকার উৎপাদিত পণ্য বৈদেশিক বাজারেও সমাদৃত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন