সিলেটের ঐতিহাসিক হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে সিলেট জেলা প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেল ৪টার দিকে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল বাছিত মোল্লার নেতৃত্বে মাজারের দানের ৩টি ডেগ সিলগালা করা হয়। একই সময়ে মাজার প্রাঙ্গণে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি বড় প্রধান দানবাক্স এবং বিভিন্ন স্থানে আরও কয়েকটি ছোট দানবাক্স স্থাপন করা হয়, যেগুলোর নিরাপত্তার জন্য আনসার সদস্যদেরও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত শুক্রবার (১২ জুন) মাজার পরিদর্শনে গিয়ে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম দুই মাজারের আয়-ব্যয় একটি সুশৃঙ্খল কাঠামোর আওতায় আনার ঘোষণা দেন। দেশের অন্যতম ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক এ মাজারে প্রতিদিন দেশি-বিদেশি হাজার হাজার ভক্ত নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও গবাদিপশুসহ বিপুল পরিমাণ মূল্যবান সামগ্রী দান করেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে মাজারের এই বিপুল আয়ের সঠিক হিসাব জনসম্মুখে প্রকাশ না হওয়ায় সাধারণ মানুষের মনে নানা প্রশ্ন ও কৌতূহল ছিল। জনগণের এই কৌতূহল দূর করতে এবং পবিত্র এই স্থানগুলোর আয়ের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন প্রাথমিকভাবে হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরান (রহ.) মাজারকে কেন্দ্র করে এই কার্যক্রম শুরু করেছে। প্রশাসন জানিয়েছে, এই দুই মাজারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পর ধাপে ধাপে সিলেটের অন্যান্য মাজারের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
সিলেটের ঐতিহাসিক হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে সিলেট জেলা প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেল ৪টার দিকে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল বাছিত মোল্লার নেতৃত্বে মাজারের দানের ৩টি ডেগ সিলগালা করা হয়। একই সময়ে মাজার প্রাঙ্গণে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি বড় প্রধান দানবাক্স এবং বিভিন্ন স্থানে আরও কয়েকটি ছোট দানবাক্স স্থাপন করা হয়, যেগুলোর নিরাপত্তার জন্য আনসার সদস্যদেরও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত শুক্রবার (১২ জুন) মাজার পরিদর্শনে গিয়ে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম দুই মাজারের আয়-ব্যয় একটি সুশৃঙ্খল কাঠামোর আওতায় আনার ঘোষণা দেন। দেশের অন্যতম ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক এ মাজারে প্রতিদিন দেশি-বিদেশি হাজার হাজার ভক্ত নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও গবাদিপশুসহ বিপুল পরিমাণ মূল্যবান সামগ্রী দান করেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে মাজারের এই বিপুল আয়ের সঠিক হিসাব জনসম্মুখে প্রকাশ না হওয়ায় সাধারণ মানুষের মনে নানা প্রশ্ন ও কৌতূহল ছিল। জনগণের এই কৌতূহল দূর করতে এবং পবিত্র এই স্থানগুলোর আয়ের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন প্রাথমিকভাবে হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরান (রহ.) মাজারকে কেন্দ্র করে এই কার্যক্রম শুরু করেছে। প্রশাসন জানিয়েছে, এই দুই মাজারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পর ধাপে ধাপে সিলেটের অন্যান্য মাজারের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন