যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, আনন্দ ও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ঢাকার দোহার উপজেলার সর্বত্র পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ২৮মে ব়ৃহস্পতিবার, সকালে, উপজেলার প্রধান প্রধান ইদগা ময়দান এবং কেন্দ্রীয় জামে মসজিদগুলোতে মুসল্লিগণ ঈদের নামাজ আদায় করেন।
আজ সকাল থেকেই দোহারের প্রতিটি জনপদ থেকে মুসল্লিগণ সুগন্ধি মেখে, নতুন পাঞ্জাবি পরে দল বেঁধে ঈদগাহের উদ্দেশ্যে রওনা হন। সকাল সাড়ে ৭টায় দোহারের অন্যতম প্রধান ও কেন্দ্রীয় জামাত অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী জয়পাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে, জামালচর, পালামগঞ্জ, মেঘুলা, নারিশা, কার্তিকপুর, লটাখোলা ও পদ্মা সরকারি কলেজ, ইদগা মাঠে সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের পাশাপাশি স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সমাজসেবক, প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ীসহ হাজার হাজার মুসল্লি একসঙ্গে কাতারবন্দি হয়ে নামাজ আদায় করেন।
ঈদের নামাজ শেষে প্রতিটি ইদগা ও মসজিদে ইমাম সাহেবরা কোরবানির প্রকৃত তাৎপর্য, হজরত ইব্রাহিম (আ.) ও হজরত ইসমাইল (আ.)-এর মহান ত্যাগের আদর্শ এবং পশুর চামড়ার হক আদায়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে বিশেষ খুতবা পাঠ করেন।
পরবর্তীতে আল্লাহর দরবারে হাত তুলে মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ, সমৃদ্ধি, বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি এবং দোহার উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের সুখ-শান্তি কামনা করা হয়। নামাজ ও মোনাজাত শেষে মুসল্লিরা পবিত্র ঈদ কুশল বিনিময়ের লক্ষ্যে একে অপরের সাথে কোলাকুলি করেন। এতে ধনী-দরিদ্রের ভেদ ভুলে সবাই এক কাতারে শামিল হন।
গত কয়েকদিন ঝড়-বৃষ্টি থাকলেও সকালে নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে রৌদ্র জ্বলে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইদগাহগুলোতে নিরাপত্তা ও কাদা এড়াতে বালু-ইটের খোয়া ফেলার কারণে মুসল্লিরা সুশৃঙ্খলভাবে নামাজ সম্পন্ন করতে পেরেছেন।
নামাজ শেষে মুসল্লিরা যার যার বাড়ি ফিরে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে পশু কোরবানির কার্যক্রমে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। সব মিলিয়ে দোহারের সর্বত্র এখন উৎসব ও আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মে ২০২৬
যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, আনন্দ ও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ঢাকার দোহার উপজেলার সর্বত্র পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ২৮মে ব়ৃহস্পতিবার, সকালে, উপজেলার প্রধান প্রধান ইদগা ময়দান এবং কেন্দ্রীয় জামে মসজিদগুলোতে মুসল্লিগণ ঈদের নামাজ আদায় করেন।
আজ সকাল থেকেই দোহারের প্রতিটি জনপদ থেকে মুসল্লিগণ সুগন্ধি মেখে, নতুন পাঞ্জাবি পরে দল বেঁধে ঈদগাহের উদ্দেশ্যে রওনা হন। সকাল সাড়ে ৭টায় দোহারের অন্যতম প্রধান ও কেন্দ্রীয় জামাত অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী জয়পাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে, জামালচর, পালামগঞ্জ, মেঘুলা, নারিশা, কার্তিকপুর, লটাখোলা ও পদ্মা সরকারি কলেজ, ইদগা মাঠে সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের পাশাপাশি স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সমাজসেবক, প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ীসহ হাজার হাজার মুসল্লি একসঙ্গে কাতারবন্দি হয়ে নামাজ আদায় করেন।
ঈদের নামাজ শেষে প্রতিটি ইদগা ও মসজিদে ইমাম সাহেবরা কোরবানির প্রকৃত তাৎপর্য, হজরত ইব্রাহিম (আ.) ও হজরত ইসমাইল (আ.)-এর মহান ত্যাগের আদর্শ এবং পশুর চামড়ার হক আদায়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে বিশেষ খুতবা পাঠ করেন।
পরবর্তীতে আল্লাহর দরবারে হাত তুলে মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ, সমৃদ্ধি, বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি এবং দোহার উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের সুখ-শান্তি কামনা করা হয়। নামাজ ও মোনাজাত শেষে মুসল্লিরা পবিত্র ঈদ কুশল বিনিময়ের লক্ষ্যে একে অপরের সাথে কোলাকুলি করেন। এতে ধনী-দরিদ্রের ভেদ ভুলে সবাই এক কাতারে শামিল হন।
গত কয়েকদিন ঝড়-বৃষ্টি থাকলেও সকালে নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে রৌদ্র জ্বলে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইদগাহগুলোতে নিরাপত্তা ও কাদা এড়াতে বালু-ইটের খোয়া ফেলার কারণে মুসল্লিরা সুশৃঙ্খলভাবে নামাজ সম্পন্ন করতে পেরেছেন।
নামাজ শেষে মুসল্লিরা যার যার বাড়ি ফিরে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে পশু কোরবানির কার্যক্রমে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। সব মিলিয়ে দোহারের সর্বত্র এখন উৎসব ও আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন