কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন দর্শকপ্রিয় অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান। তিনি নিজেই বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। সিদ্দিক জানান, গত ১৮ মার্চ তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।
সিদ্দিক বলেন, আমার নামে দুটি মামলা রয়েছে। তবে কারাগার থেকে মুক্ত হওয়ার পর ভিন্ন এক অনুভূতি কাজ করছে, যা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। আমি প্রায় ১০ মাস কারাগারে ছিলাম। জীবনের এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরেছি।
তিনি আরও বলেন, মুক্তির পর গত কয়েক দিন পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি। নিজেকে একটু গুছিয়ে নিয়েছি। এতদিন এক ধরনের পরিবেশে ছিলাম, এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিবেশে এসেছি। নিজের মতো করে সময় কাটানোর জন্যই এতদিন বিষয়টি প্রকাশ করিনি।
অভিনেতা জানান, জেলে ১০ মাস ২২ দিন ছিলাম। ওই সময়টা সঠিকভাবে ব্যবহার করেছি। তখন ভাবছিলাম আমি শিল্পী মানুষ। সময়টাকে কাজে লাগাই। আল্লাহই আমাকে পরিবর্তন করিয়েছেন।
অভিনেতা বলেন, আগে দ্বীনের কাজে সেভাবে লিপ্ত ছিলাম না। জেলে নিয়মিত কোরআন ধরলাম। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া শুরু করলাম। সেখান থেকে ধীরে ধীরে আমার মধ্যে পরিবর্তন আসে। আসলে জেলে প্রচুর চিন্তা করার টাইম পাওয়া যায়। আগের যেসব রুটিন ছিল সেটা পুরোটা পরিবর্তন হয়।
তিনি আরও বলেন, জেলে বসে ১৫টি নাটক ও ৩টি সিনেমার গল্প লিখেছি। নিজের ওপর একটি বই লিখেছি। জেল থেকে বের হয়ে এখনও আমার সেই ট্রমা কাটেনি। শারীরিক ও মানসিকভাবে আগের রুলসের মধ্যে যাচ্ছে।
সিদ্দিকুর রহমান একসময় ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা। পরে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িয়েছিলেন। টাঙ্গাইল ও ঢাকা থেকে একাধিকবার নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন, কিন্তু পাননি।
জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর গুলশান থানা এলাকায় একটি হত্যা মামলায় সিদ্দিকুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, গুলশান থানার এসআই সামিউল ইসলাম গত বছর ১২ আগস্ট তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই গুলশানের সুবাস্তু টাওয়ারের সামনে বন্ধুদের সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নেন ফার্নিচারকর্মী পারভেজ বেপারী। জুমার নামাজের পর আসামিদের ছোড়া গুলিতে তিনি আহত হন। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পারভেজের বাবা মো. সবুজ গত বছরের ২ জুলাই গুলশান থানায় মামলা দায়ের করেন।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন দর্শকপ্রিয় অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান। তিনি নিজেই বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। সিদ্দিক জানান, গত ১৮ মার্চ তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।
সিদ্দিক বলেন, আমার নামে দুটি মামলা রয়েছে। তবে কারাগার থেকে মুক্ত হওয়ার পর ভিন্ন এক অনুভূতি কাজ করছে, যা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। আমি প্রায় ১০ মাস কারাগারে ছিলাম। জীবনের এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরেছি।
তিনি আরও বলেন, মুক্তির পর গত কয়েক দিন পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি। নিজেকে একটু গুছিয়ে নিয়েছি। এতদিন এক ধরনের পরিবেশে ছিলাম, এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিবেশে এসেছি। নিজের মতো করে সময় কাটানোর জন্যই এতদিন বিষয়টি প্রকাশ করিনি।
অভিনেতা জানান, জেলে ১০ মাস ২২ দিন ছিলাম। ওই সময়টা সঠিকভাবে ব্যবহার করেছি। তখন ভাবছিলাম আমি শিল্পী মানুষ। সময়টাকে কাজে লাগাই। আল্লাহই আমাকে পরিবর্তন করিয়েছেন।
অভিনেতা বলেন, আগে দ্বীনের কাজে সেভাবে লিপ্ত ছিলাম না। জেলে নিয়মিত কোরআন ধরলাম। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া শুরু করলাম। সেখান থেকে ধীরে ধীরে আমার মধ্যে পরিবর্তন আসে। আসলে জেলে প্রচুর চিন্তা করার টাইম পাওয়া যায়। আগের যেসব রুটিন ছিল সেটা পুরোটা পরিবর্তন হয়।
তিনি আরও বলেন, জেলে বসে ১৫টি নাটক ও ৩টি সিনেমার গল্প লিখেছি। নিজের ওপর একটি বই লিখেছি। জেল থেকে বের হয়ে এখনও আমার সেই ট্রমা কাটেনি। শারীরিক ও মানসিকভাবে আগের রুলসের মধ্যে যাচ্ছে।
সিদ্দিকুর রহমান একসময় ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা। পরে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িয়েছিলেন। টাঙ্গাইল ও ঢাকা থেকে একাধিকবার নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন, কিন্তু পাননি।
জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর গুলশান থানা এলাকায় একটি হত্যা মামলায় সিদ্দিকুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, গুলশান থানার এসআই সামিউল ইসলাম গত বছর ১২ আগস্ট তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই গুলশানের সুবাস্তু টাওয়ারের সামনে বন্ধুদের সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নেন ফার্নিচারকর্মী পারভেজ বেপারী। জুমার নামাজের পর আসামিদের ছোড়া গুলিতে তিনি আহত হন। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পারভেজের বাবা মো. সবুজ গত বছরের ২ জুলাই গুলশান থানায় মামলা দায়ের করেন।

আপনার মতামত লিখুন