ভোজ্যতেলের অস্বাভাবিক সংকটে সাধারণ মানুষের জীবনে অসহনীয় করে তুলেছে। এরই প্রতিবাদে নীলফামারীতে মানববন্ধন হয়েছে। বুধবার শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে ভোক্তা অধিকারের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একটি অদৃশ্য চক্রের কারসাজিতে জিম্মি হয়েছে পুরো বাজারব্যবস্থা। তারা প্রতিদিন দাম বাড়াচ্ছে। অথচ ভোজ্যতেলের কোন সংকট নেই। “বাজারে তেল নেই, থাকলেও দাম আকাশছোঁয়া—আমরা যাব কোথায়?
এই প্রশ্ন যেন প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল চারপাশে, উপস্থিত প্রতিটি মানুষের মনে। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক আল-আমিন। তিনি বলেন, “কিছু অসাধু ব্যবসায়ী পরিকল্পিতভাবে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে। এতে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছে। দ্রুত বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক করতে হবে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে।”
সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রঞ্জু তার বক্তব্যে বলেন, “এটি কোনো স্বাভাবিক বাজার পরিস্থিতি নয়; এটি একটি সিন্ডিকেটের কারসাজি। প্রশাসন যদি এখনই কঠোর না হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে।
মশিউর রহমান ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আজাহারুল ইসলাম রাজা বলেন, “ভোক্তার অধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। বাজারে এমন অস্থিরতা চলতে থাকলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরও কঠিন হয়ে পড়বে।”
ডিমলা উপজেলা ক্যাবের সহ-সভাপতি আনোয়ার বলেন, “মজুদদারি ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে যারা বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে, তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”
কিশোরগঞ্জ উপজেলা ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক কায়দে আজম বলেন, “সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও সক্রিয় হতে হবে। বাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে এ ধরনের সংকট বারবার ফিরে আসবে।”
আয়োজকরা বলেন, , এটি কোনো স্বাভাবিক সংকট নয়; বরং একটি সুপরিকল্পিত কৃত্রিম সঙ্কট। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী মজুদদারি ও সরবরাহে কৌশলী বাধা সৃষ্টি করে বাজারকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। এর ফল ভোগ করছে সাধারণ মানুষ
যাদের প্রতিদিনের রান্নাঘর এখন দুশ্চিন্তার আরেক নাম।
ভোজ্যতেলের অস্বাভাবিক সংকটে সাধারণ মানুষের জীবনে অসহনীয় করে তুলেছে। এরই প্রতিবাদে নীলফামারীতে মানববন্ধন হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টায় শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে ভোক্তা অধিকারের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একটি অদৃশ্য চক্রের কারসাজিতে জিম্মি হয়েছে পুরো বাজারব্যবস্থা। তারা প্রতিদিন দাম বাড়াচ্ছে। অথচ ভোজ্যতেলের কোন সংকট নেই। “বাজারে তেল নেই, থাকলেও দাম আকাশছোঁয়া—আমরা যাব কোথায়?
এই প্রশ্ন যেন প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল চারপাশে, উপস্থিত প্রতিটি মানুষের মনে। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক আল-আমিন। তিনি বলেন, “কিছু অসাধু ব্যবসায়ী পরিকল্পিতভাবে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে। এতে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছে। দ্রুত বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক করতে হবে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে।”
সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রঞ্জু তার বক্তব্যে বলেন, “এটি কোনো স্বাভাবিক বাজার পরিস্থিতি নয়; এটি একটি সিন্ডিকেটের কারসাজি। প্রশাসন যদি এখনই কঠোর না হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে।
মশিউর রহমান ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আজাহারুল ইসলাম রাজা বলেন, “ভোক্তার অধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। বাজারে এমন অস্থিরতা চলতে থাকলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরও কঠিন হয়ে পড়বে।”
ডিমলা উপজেলা ক্যাবের সহ-সভাপতি আনোয়ার বলেন, “মজুদদারি ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে যারা বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে, তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”
কিশোরগঞ্জ উপজেলা ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক কায়দে আজম বলেন, “সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও সক্রিয় হতে হবে। বাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে এ ধরনের সংকট বারবার ফিরে আসবে।”
আয়োজকরা বলেন, , এটি কোনো স্বাভাবিক সংকট নয়; বরং একটি সুপরিকল্পিত কৃত্রিম সঙ্কট। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী মজুদদারি ও সরবরাহে কৌশলী বাধা সৃষ্টি করে বাজারকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। এর ফল ভোগ করছে সাধারণ মানুষ
যাদের প্রতিদিনের রান্নাঘর এখন দুশ্চিন্তার আরেক নাম।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
ভোজ্যতেলের অস্বাভাবিক সংকটে সাধারণ মানুষের জীবনে অসহনীয় করে তুলেছে। এরই প্রতিবাদে নীলফামারীতে মানববন্ধন হয়েছে। বুধবার শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে ভোক্তা অধিকারের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একটি অদৃশ্য চক্রের কারসাজিতে জিম্মি হয়েছে পুরো বাজারব্যবস্থা। তারা প্রতিদিন দাম বাড়াচ্ছে। অথচ ভোজ্যতেলের কোন সংকট নেই। “বাজারে তেল নেই, থাকলেও দাম আকাশছোঁয়া—আমরা যাব কোথায়?
এই প্রশ্ন যেন প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল চারপাশে, উপস্থিত প্রতিটি মানুষের মনে। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক আল-আমিন। তিনি বলেন, “কিছু অসাধু ব্যবসায়ী পরিকল্পিতভাবে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে। এতে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছে। দ্রুত বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক করতে হবে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে।”
সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রঞ্জু তার বক্তব্যে বলেন, “এটি কোনো স্বাভাবিক বাজার পরিস্থিতি নয়; এটি একটি সিন্ডিকেটের কারসাজি। প্রশাসন যদি এখনই কঠোর না হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে।
মশিউর রহমান ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আজাহারুল ইসলাম রাজা বলেন, “ভোক্তার অধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। বাজারে এমন অস্থিরতা চলতে থাকলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরও কঠিন হয়ে পড়বে।”
ডিমলা উপজেলা ক্যাবের সহ-সভাপতি আনোয়ার বলেন, “মজুদদারি ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে যারা বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে, তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”
কিশোরগঞ্জ উপজেলা ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক কায়দে আজম বলেন, “সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও সক্রিয় হতে হবে। বাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে এ ধরনের সংকট বারবার ফিরে আসবে।”
আয়োজকরা বলেন, , এটি কোনো স্বাভাবিক সংকট নয়; বরং একটি সুপরিকল্পিত কৃত্রিম সঙ্কট। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী মজুদদারি ও সরবরাহে কৌশলী বাধা সৃষ্টি করে বাজারকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। এর ফল ভোগ করছে সাধারণ মানুষ
যাদের প্রতিদিনের রান্নাঘর এখন দুশ্চিন্তার আরেক নাম।
ভোজ্যতেলের অস্বাভাবিক সংকটে সাধারণ মানুষের জীবনে অসহনীয় করে তুলেছে। এরই প্রতিবাদে নীলফামারীতে মানববন্ধন হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টায় শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে ভোক্তা অধিকারের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একটি অদৃশ্য চক্রের কারসাজিতে জিম্মি হয়েছে পুরো বাজারব্যবস্থা। তারা প্রতিদিন দাম বাড়াচ্ছে। অথচ ভোজ্যতেলের কোন সংকট নেই। “বাজারে তেল নেই, থাকলেও দাম আকাশছোঁয়া—আমরা যাব কোথায়?
এই প্রশ্ন যেন প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল চারপাশে, উপস্থিত প্রতিটি মানুষের মনে। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক আল-আমিন। তিনি বলেন, “কিছু অসাধু ব্যবসায়ী পরিকল্পিতভাবে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে। এতে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছে। দ্রুত বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক করতে হবে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে।”
সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রঞ্জু তার বক্তব্যে বলেন, “এটি কোনো স্বাভাবিক বাজার পরিস্থিতি নয়; এটি একটি সিন্ডিকেটের কারসাজি। প্রশাসন যদি এখনই কঠোর না হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে।
মশিউর রহমান ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আজাহারুল ইসলাম রাজা বলেন, “ভোক্তার অধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। বাজারে এমন অস্থিরতা চলতে থাকলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরও কঠিন হয়ে পড়বে।”
ডিমলা উপজেলা ক্যাবের সহ-সভাপতি আনোয়ার বলেন, “মজুদদারি ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে যারা বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে, তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”
কিশোরগঞ্জ উপজেলা ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক কায়দে আজম বলেন, “সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও সক্রিয় হতে হবে। বাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে এ ধরনের সংকট বারবার ফিরে আসবে।”
আয়োজকরা বলেন, , এটি কোনো স্বাভাবিক সংকট নয়; বরং একটি সুপরিকল্পিত কৃত্রিম সঙ্কট। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী মজুদদারি ও সরবরাহে কৌশলী বাধা সৃষ্টি করে বাজারকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। এর ফল ভোগ করছে সাধারণ মানুষ
যাদের প্রতিদিনের রান্নাঘর এখন দুশ্চিন্তার আরেক নাম।

আপনার মতামত লিখুন