ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

অর্থনীতি

নীলফামারীতে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকটের প্রতিবাদে মানববন্ধন

নীলফামারীতে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকটের প্রতিবাদে মানববন্ধন
নীলফামারী চৌরঙ্গী মোড়ে মানববন্ধনের দৃশ্য, ছবি-স্টেট নিউজ

‎ভোজ্যতেলের অস্বাভাবিক সংকটে  সাধারণ মানুষের জীবনে অসহনীয় করে তুলেছে।  এরই প্রতিবাদে  নীলফামারীতে মানববন্ধন হয়েছে।  বুধবার  শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে   ভোক্তা অধিকারের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

‎

‎ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে  বক্তারা বলেন,  একটি অদৃশ্য  চক্রের  কারসাজিতে জিম্মি হয়েছে পুরো বাজারব্যবস্থা। তারা প্রতিদিন দাম বাড়াচ্ছে। অথচ ভোজ্যতেলের কোন সংকট নেই।  “বাজারে তেল নেই, থাকলেও দাম আকাশছোঁয়া—আমরা যাব কোথায়?

‎

‎ এই প্রশ্ন যেন প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল চারপাশে, উপস্থিত প্রতিটি মানুষের মনে। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক আল-আমিন। তিনি বলেন, “কিছু অসাধু ব্যবসায়ী পরিকল্পিতভাবে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে। এতে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছে। দ্রুত বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক করতে হবে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে।”

‎সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রঞ্জু তার বক্তব্যে বলেন, “এটি কোনো স্বাভাবিক বাজার পরিস্থিতি নয়; এটি একটি সিন্ডিকেটের কারসাজি। প্রশাসন যদি এখনই কঠোর না হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে।

‎মশিউর রহমান ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আজাহারুল ইসলাম রাজা বলেন, “ভোক্তার অধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। বাজারে এমন অস্থিরতা চলতে থাকলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরও কঠিন হয়ে পড়বে।”

‎ডিমলা উপজেলা ক্যাবের সহ-সভাপতি আনোয়ার বলেন, “মজুদদারি ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে যারা বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে, তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”

‎কিশোরগঞ্জ উপজেলা ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক কায়দে আজম বলেন, “সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও সক্রিয় হতে হবে। বাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে এ ধরনের সংকট বারবার ফিরে আসবে।”

‎আয়োজকরা বলেন, , এটি কোনো স্বাভাবিক সংকট নয়; বরং একটি সুপরিকল্পিত কৃত্রিম সঙ্কট। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী মজুদদারি ও সরবরাহে কৌশলী বাধা সৃষ্টি করে বাজারকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। এর ফল ভোগ করছে সাধারণ মানুষ

‎যাদের প্রতিদিনের রান্নাঘর এখন দুশ্চিন্তার আরেক নাম।

‎

‎ভোজ্যতেলের অস্বাভাবিক সংকটে  সাধারণ মানুষের জীবনে অসহনীয় করে তুলেছে।  এরই প্রতিবাদে  নীলফামারীতে মানববন্ধন হয়েছে।  বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টায়  শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে   ভোক্তা অধিকারের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
‎
‎ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে  বক্তারা বলেন,  একটি অদৃশ্য  চক্রের  কারসাজিতে জিম্মি হয়েছে পুরো বাজারব্যবস্থা। তারা প্রতিদিন দাম বাড়াচ্ছে। অথচ ভোজ্যতেলের কোন সংকট নেই।  “বাজারে তেল নেই, থাকলেও দাম আকাশছোঁয়া—আমরা যাব কোথায়?
‎
‎ এই প্রশ্ন যেন প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল চারপাশে, উপস্থিত প্রতিটি মানুষের মনে। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক আল-আমিন। তিনি বলেন, “কিছু অসাধু ব্যবসায়ী পরিকল্পিতভাবে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে। এতে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছে। দ্রুত বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক করতে হবে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে।”
‎সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রঞ্জু তার বক্তব্যে বলেন, “এটি কোনো স্বাভাবিক বাজার পরিস্থিতি নয়; এটি একটি সিন্ডিকেটের কারসাজি। প্রশাসন যদি এখনই কঠোর না হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে।
‎মশিউর রহমান ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আজাহারুল ইসলাম রাজা বলেন, “ভোক্তার অধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। বাজারে এমন অস্থিরতা চলতে থাকলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরও কঠিন হয়ে পড়বে।”
‎ডিমলা উপজেলা ক্যাবের সহ-সভাপতি আনোয়ার বলেন, “মজুদদারি ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে যারা বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে, তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”
‎কিশোরগঞ্জ উপজেলা ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক কায়দে আজম বলেন, “সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও সক্রিয় হতে হবে। বাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে এ ধরনের সংকট বারবার ফিরে আসবে।”
‎আয়োজকরা বলেন, , এটি কোনো স্বাভাবিক সংকট নয়; বরং একটি সুপরিকল্পিত কৃত্রিম সঙ্কট। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী মজুদদারি ও সরবরাহে কৌশলী বাধা সৃষ্টি করে বাজারকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। এর ফল ভোগ করছে সাধারণ মানুষ
‎যাদের প্রতিদিনের রান্নাঘর এখন দুশ্চিন্তার আরেক নাম।
‎

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


নীলফামারীতে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকটের প্রতিবাদে মানববন্ধন

প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

‎ভোজ্যতেলের অস্বাভাবিক সংকটে  সাধারণ মানুষের জীবনে অসহনীয় করে তুলেছে।  এরই প্রতিবাদে  নীলফামারীতে মানববন্ধন হয়েছে।  বুধবার  শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে   ভোক্তা অধিকারের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

‎

‎ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে  বক্তারা বলেন,  একটি অদৃশ্য  চক্রের  কারসাজিতে জিম্মি হয়েছে পুরো বাজারব্যবস্থা। তারা প্রতিদিন দাম বাড়াচ্ছে। অথচ ভোজ্যতেলের কোন সংকট নেই।  “বাজারে তেল নেই, থাকলেও দাম আকাশছোঁয়া—আমরা যাব কোথায়?

‎

‎ এই প্রশ্ন যেন প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল চারপাশে, উপস্থিত প্রতিটি মানুষের মনে। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক আল-আমিন। তিনি বলেন, “কিছু অসাধু ব্যবসায়ী পরিকল্পিতভাবে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে। এতে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছে। দ্রুত বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক করতে হবে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে।”

‎সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রঞ্জু তার বক্তব্যে বলেন, “এটি কোনো স্বাভাবিক বাজার পরিস্থিতি নয়; এটি একটি সিন্ডিকেটের কারসাজি। প্রশাসন যদি এখনই কঠোর না হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে।

‎মশিউর রহমান ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আজাহারুল ইসলাম রাজা বলেন, “ভোক্তার অধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। বাজারে এমন অস্থিরতা চলতে থাকলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরও কঠিন হয়ে পড়বে।”

‎ডিমলা উপজেলা ক্যাবের সহ-সভাপতি আনোয়ার বলেন, “মজুদদারি ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে যারা বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে, তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”

‎কিশোরগঞ্জ উপজেলা ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক কায়দে আজম বলেন, “সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও সক্রিয় হতে হবে। বাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে এ ধরনের সংকট বারবার ফিরে আসবে।”

‎আয়োজকরা বলেন, , এটি কোনো স্বাভাবিক সংকট নয়; বরং একটি সুপরিকল্পিত কৃত্রিম সঙ্কট। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী মজুদদারি ও সরবরাহে কৌশলী বাধা সৃষ্টি করে বাজারকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। এর ফল ভোগ করছে সাধারণ মানুষ

‎যাদের প্রতিদিনের রান্নাঘর এখন দুশ্চিন্তার আরেক নাম।

‎

‎ভোজ্যতেলের অস্বাভাবিক সংকটে  সাধারণ মানুষের জীবনে অসহনীয় করে তুলেছে।  এরই প্রতিবাদে  নীলফামারীতে মানববন্ধন হয়েছে।  বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টায়  শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে   ভোক্তা অধিকারের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
‎
‎ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে  বক্তারা বলেন,  একটি অদৃশ্য  চক্রের  কারসাজিতে জিম্মি হয়েছে পুরো বাজারব্যবস্থা। তারা প্রতিদিন দাম বাড়াচ্ছে। অথচ ভোজ্যতেলের কোন সংকট নেই।  “বাজারে তেল নেই, থাকলেও দাম আকাশছোঁয়া—আমরা যাব কোথায়?
‎
‎ এই প্রশ্ন যেন প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল চারপাশে, উপস্থিত প্রতিটি মানুষের মনে। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক আল-আমিন। তিনি বলেন, “কিছু অসাধু ব্যবসায়ী পরিকল্পিতভাবে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে। এতে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছে। দ্রুত বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক করতে হবে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে।”
‎সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রঞ্জু তার বক্তব্যে বলেন, “এটি কোনো স্বাভাবিক বাজার পরিস্থিতি নয়; এটি একটি সিন্ডিকেটের কারসাজি। প্রশাসন যদি এখনই কঠোর না হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে।
‎মশিউর রহমান ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আজাহারুল ইসলাম রাজা বলেন, “ভোক্তার অধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। বাজারে এমন অস্থিরতা চলতে থাকলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরও কঠিন হয়ে পড়বে।”
‎ডিমলা উপজেলা ক্যাবের সহ-সভাপতি আনোয়ার বলেন, “মজুদদারি ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে যারা বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে, তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”
‎কিশোরগঞ্জ উপজেলা ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক কায়দে আজম বলেন, “সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও সক্রিয় হতে হবে। বাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে এ ধরনের সংকট বারবার ফিরে আসবে।”
‎আয়োজকরা বলেন, , এটি কোনো স্বাভাবিক সংকট নয়; বরং একটি সুপরিকল্পিত কৃত্রিম সঙ্কট। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী মজুদদারি ও সরবরাহে কৌশলী বাধা সৃষ্টি করে বাজারকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। এর ফল ভোগ করছে সাধারণ মানুষ
‎যাদের প্রতিদিনের রান্নাঘর এখন দুশ্চিন্তার আরেক নাম।
‎


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত