প্রিন্ট এর তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
বজ্যকে সম্পদে রুপান্তর করতে হবে - যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক
মিজানুর রহমান মহসিন ||
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, বায়ো গ্যাস প্ল্যান্ট শুধু বিকল্প জ্বালানির উৎস নয়, এটি গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ ও পরিবেশ সুরক্ষার একটি কার্যকর প্রযুক্তি। গবাদিপশুর গোবর, হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা ও অন্যান্য জৈব বর্জ্য ব্যবহার করে বায়োগ্যাস উৎপাদন করা সম্ভব। উৎপাদিত গ্যাস রান্নার জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের পাশাপাশি প্ল্যান্ট থেকে পাওয়া অবশিষ্ট জৈব উপাদান উন্নতমানের সার হিসেবে কৃষিকাজে ব্যবহার করা যায়।তিনি আরও বলেন, এ প্রযুক্তির সম্প্রসারণের মাধ্যমে একদিকে জ্বালানি ব্যয় কমানো সম্ভব, অন্যদিকে জৈব বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিবেশদূষণ হ্রাস করা যায়। গ্রামীণ জনপদে বায়োগ্যাস প্রযুক্তির প্রসার ঘটলে কৃষি ও পশুপালনের পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরির ক্ষেত্রেও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের এমন সম্ভাবনা দেখতে নীলফামারীর সৈয়দপুরে একটি বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট পরিদর্শন করেছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুল হক।‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের আইসঢাল হাজিপাড়ায় প্রতিমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে এক স্বাগত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসীর মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।অনুষ্ঠানে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নীলফামারী ও সৈয়দপুরের ‘ইমপ্যাক্ট (ফেজ-৩) প্রকল্পের’ পক্ষ থেকে প্রতিমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। পরে তিনি বায়োগ্যাস প্ল্যান্টের বিভিন্ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং এর উৎপাদন প্রক্রিয়া, ব্যবহার ও উপকারিতা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।এ সময় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ঋণ সহায়তা কর্মসূচির আওতায় জেলার পাঁচজন উপকারভোগীর মধ্যে মোট ৭ লাখ টাকার ঋণের চেক বিতরণ করেন প্রতিমন্ত্রী।প্রতিমন্ত্রী বলেন, বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট শুধু বিকল্প জ্বালানির উৎস নয়, এটি গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ ও পরিবেশ সুরক্ষার একটি কার্যকর প্রযুক্তি। গবাদিপশুর গোবর, হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা ও অন্যান্য জৈব বর্জ্য ব্যবহার করে বায়োগ্যাস উৎপাদন করা সম্ভব। উৎপাদিত গ্যাস রান্নার জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের পাশাপাশি প্ল্যান্ট থেকে পাওয়া অবশিষ্ট জৈব উপাদান উন্নতমানের সার হিসেবে কৃষিকাজে ব্যবহার করা যায়।সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, প্রতিমন্ত্রীর এই পরিদর্শনের মাধ্যমে নীলফামারী জেলার যুবসমাজের মধ্যে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারে আগ্রহ বাড়বে। প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে ঋণ সহায়তা ও কারিগরি পরামর্শ নিশ্চিত করা গেলে স্থানীয় যুবকদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে ওঠার সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারীর জেলা প্রশাসক হুমায়ুন কবির, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক দিলগীর আলম, সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারাহ ফাতেহা তাকলিমা, সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকার, সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজাসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী।
সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ আব্দুর রাকিব
কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত