প্রিন্ট এর তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
সরকারি চাকরি পাশাপাশি নানটু লালের মাদকের রমরমা ব্যবসা
আকবর আহমদ ||
সরকারি চাকরির আড়ালে নানটু লালের মতো ব্যক্তিদের মাদক ব্যবসা চালানো দেশের প্রচলিত শাসনব্যবস্থা এবং সামাজিক নিরাপত্তার জন্য একটি বড় হুমকি। একজন সরকারি কর্মচারী হয়েও আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কিভাবে এই অপরাধমূলক সাম্রাজ্য বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে, তার কিছু নেপথ্য কারণ নিচে তুলে ধরা হলো:১. সরকারি পদের ক্ষমতার অপব্যবহারসরকারি পরিচয় বা পদকে নানটু লালের মতো অপরাধীরা একটি "নিরাপত্তা ঢাল" হিসেবে ব্যবহার করে। সরকারি কোয়ার্টার বা কলোনিতে থাকার সুবাদে তারা পুলিশের সাধারণ নজরদারির বাইরে থাকার সুবিধা পায়। নিজেদের সরকারি স্টাফ পরিচয় দিয়ে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি দেখায়, যার ফলে অনেকেই মুখ খুলতে সাহস পান না। ২. প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতার ঘাটতি ও আইনি ফাঁকফোকররেলওয়ের মতো বড় সংস্থায় নিচু পদের কর্মচারীদের দৈনন্দিন কার্যক্রমের ওপর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কঠোর তদারকির অভাব থাকে। তাছাড়া, সরকারি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী কোনো কর্মচারীর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যবস্থা (যেমন: চাকরিচ্যুতি) নিতে দীর্ঘ বিভাগীয় তদন্ত ও আদালতের রায়ের প্রয়োজন হয়। মামলার রায় হতে বছরের পর বছর সময় লাগার এই সুযোগটিই মাদক কারবারিরা গ্রহণ করে। ৩. স্থানীয় প্রভাব ও সিন্ডিকেটএকটি পুরো কলোনি (যেমন: ভার্থখলা সুইপার কলোনি) জুড়ে যখন একটি শক্তিশালী মাদক সিন্ডিকেট গড়ে ওঠে, তখন সেখানে একক কোনো ব্যক্তির চেয়ে পুরো চক্রটি বেশি সক্রিয় থাকে। নানটু লাল, বিললু লাল বা রিপন লালের মতো ব্যক্তিরা স্থানীয় প্রভাবশালী চক্রের ছত্রছায়ায় থাকে। এই কারণে তারা প্রশাসনের চোখে ধুলো দিয়ে বা সাময়িক অভিযানের ধকল সামলে নিয়ে পুনরায় সক্রিয় হতে পারে।
সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ আব্দুর রাকিব
কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত